মেনু নির্বাচন করুন

রাজশাহী বি. বি. হিন্দু একাডেমী

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

প্রতিষ্ঠাতা / প্রতিষ্ঠাতাগণের নাম:-

                             (ক) স্বর্গীয় সুদর্শন চক্রবর্তী।

                             (খ) স্বর্গীয় অনুকূল চন্দ্র চক্রবর্তী

                                      উভয়ের পিতা ঁবিশ্বেশ্বর চক্রবর্তী।ড়

            রাজশাহী শহরের সাগরপাড়ায় জমিদার স্বর্গীয় বিশ্বেশ্বর চক্রবর্তী বাস করতেন। তাঁর সুযোগ্য জ্যেষ্ঠ পুত্র স্বর্গীয় অনুকুল চক্রবর্তী এবং কনিষ্ঠ পুত্র স্বর্গীয় সুদর্শন চক্রবর্তী আইনজীবি ছিলেন। রাজশাহীতে শিক্ষার অতীত গৌরব বলতে একমাত্র সরকারী কলেজিয়েট স্কুল ছাড়া কোন উচ্চ বিদ্যালয় ছিলনা। উক্ত চক্রবর্তী ভাতৃদ্বয়ই সাধারণ জনগোষ্ঠীর লেখাপড়ার জন্য একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মনিয়োগ করেন।

           

            সাগর পাড়ায় মহেশ ভট্টাচার্য্য(মহেশ) নামে এক ব্যক্তি বাস করতেন। তাঁর বৈঠক খানায় পন্ডিত যাদব চক্রবর্তীর একটি পাঠশালা ছিল। এ পাঠশালাটিতে শিক্ষার্থীদের ক্রমাগত আগমন বাড়তে থাকে। অনুকুল চক্রবর্তী ও সুদর্শন চক্রবর্তী এ পাঠশালাটির কলেবর বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় পাবলিক লাইব্রেরীতে স্থানান্তর করেন। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ১২ জুলাই পাবলিক লাইব্রেরীর একাংশে ‘‘রাজশাহী একাডেমী’’নামে প্রথম এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সেখানেই চলতে থাকে। এরপর বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অভাব দেখা দিতে থাকে। তাই ইহা অন্যত্র স্থানান্তরের আবশ্যকতা দেখা দেয়। রাজশাহী শহরের অপর এক জমিদার রায় বাহাদুর কুঞ্জ মোহন মৈত্র বাস করতেন। তিনি ঘোড়ামারায় মাড়োয়ারী দেবী দাস বাবুর ঠাকুর বাড়ি ক্রয় করেন।  এখান থেকেই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, ভিত্তি স্থানীয়করন ও অবকাঠামোর পরিবর্ধন প্রভৃতি কাজে চক্রবর্তী ভ্রাতৃদ্বয় অধিক মনোনিবেশ করেন। আর তখনই প্রয়োজন হয় প্রচুর অর্থের। তাই তাঁদের নিকট ভোলানাথ খাঁ-কে বিদ্যালয়ের উন্নতি কল্পে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করেন। নাটোর জেলার খাজুরা গ্রাম নিবাসী জমিদার ভোলানাথ খাঁ বিদ্যালয় উন্নয়নে সাড়া দিয়ে উপযুক্ত অর্থ দান করেন। উক্ত দানের জন্য কৃতজ্ঞতা স্বরূপ ভোলানাথ যুক্ত করলে বিদ্যালয়ের নতুন নামকরন- ‘‘রাজশাহী ভোলানাথ একাডেমী হয়’’।

            প্রতিষ্ঠাতা চক্রবর্তী ভ্রাতৃদ্বয় বিদ্যালয়টিকে দেশের মধ্যে একটি প্রথম শ্রেণীর বেসরকারী বিদ্যালয়ে উন্নীত করার পরিকল্পনা ও আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে। অতঃপর ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে বড় কুঠিতে বিস্তীর্ণ জমি মেদিনীপুর জমিদারী কোম্পানীর নিকট থেকে প্রতিষ্ঠাতা ভ্রাতৃদ্বয় ক্রয় করেন। সেখানেই বিদ্যালয় ভবন ও ছাত্রাবাস নির্মান করেন। অনুকুল চক্রবর্তী ও সুদর্শন চক্রবর্তী কোর্ট হতে ফিরবার পথে উচ্চ শ্রেণীতে পাঠদান করাতেন। ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠাতা ভ্রাতৃদ্বয় তাঁদের পিতার নাম যুক্ত করলে বিদ্যালয়ের নামকরন - ‘‘রাজশাহী ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর একাডেমী’’হয়। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য ছিলেন মাননীয় আজিজুর হক। তিনি বিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে ‘‘হিন্দু’’ কথাটি যুক্ত করার অনুমতি দিলে স্থায়ী নামকরণ - ‘‘রাজশাহী ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর হিন্দু একাডেমী’’হয়। তখন থেকে বিদ্যালয়ের স্বর্ণযুগ আরম্ভ হয়। স্থানীয় অন্যান্য বিদ্যালয়ের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে এ বিদ্যালয় সুনামের সঙ্গে এগিয়ে যেতে থাকে।

 

            ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ বিভক্ত হলে বিদ্যালয়ে অশনি সংকেত দেখা দেয়। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ভারত থেকে শরণার্থীদের আগমন ঘটতে থাকে। তৎকালীন সরকার বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসটিকে হুকুম দখল করে। পরে এ বিধান প্রত্যাহার হলেও ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে পুনরায় সমগ্র বিদ্যালয়টিকে হুকুম দখল করে। ফলে স্থানীয় লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রভাতে কার্যক্রম চলতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের পরিচালক মন্ডলী, স্থানীয় হিতৈষীগণ ও জেলা প্রশাসক সভাপতি হিসেবে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন। তখন সাগরপাড়ায় শ্রীযুক্ত কালীনাথ মুখার্জীর (বেচু বাবু) পরিত্যক্ত বাড়িটিকে সংস্কার করে বিদ্যালয় স্থানান্তরিত হয়। বাড়িটি পরে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করা হয়ে থাকে। শহরের সুধীজনের সদিচ্ছা, জেলা প্রশাসক সাহেবের সহযোগিতা এবং শিক্ষা বিভাগের সহানুভূতিতে বিদ্যালয়টি সাগর পাড়ায় পুনরায় প্রতিষ্টিত হয়।

 

            বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার বংশধর শ্রীযুক্ত অখিল চক্রবর্তী এবং অতুল চন্দ্র চক্রবর্তীও নিঃস্বার্থভাবে বিদ্যালয়ে সক্রিয় সহযোগিতা করেছিলেন।

                                   

৪। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ/সুপারগণ ও জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের নাম ও অর্জন:

 বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভ্রাতৃদ্বয় স্বর্গীয় সুদর্শন চক্রবর্তী ও স্বর্গীয় অনুকূল চন্দ্র চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসাবে কাজ করেছেন। এখানে যাদব পন্ডিতের নামও উল্লেখযোগ্য। তবে প্রথম প্রধান শিক্ষক হিসাবে শ্রী চন্দ্রকান্ত সেন(বি.এ) ১।১।১৮৯৮ থেকে ৩১।১২।১৯০৫ সাল পর্যন্ত অত্র বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
রাজেন্দ্র নাথ সরকার 0 info.rbbha@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

বিষয়ঃ ছাত্র-ছাত্রী সংক্রামত্ম তথ্য -২০১২

 

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

মমত্মব্য

 
 

১ম

৩৯

৩৮

৭৭

 

 

২য়

৩৩

৫৩

৮৬

 

 

৩য়

৫৮

৬৩

১২১

 

 

৪র্থ

৫৬

৫৬

১১২

 

 

৫ম (ক)

৩১

৩৩

৬৪

 

 

৫ম (খ)

৩৬

২৮

৬৪

 

 

৬ষ্ঠ (ক)

৫৩

৩৭

৯০

 

 

৬ষ্ঠ (খ)

৪৭

৪৫

৯২

 

 

৭ম (ক)

৩৮

৩২

৭০

 

 

৭ম (খ)

৩৭

৩৮

৭৫

 

 

৮ম (ক)

২৫

৩০

৫৫

 

 

৮ম (খ)

২৫

 

২৭

৫২

 

 

৯ম (ক)

৫৫

-

৫৫

 

 

৯ম (খ)

-

৫৮

৫৮

 

 

১০ম (ক)

৬৯

-

৬৯

 

 

১০ম (খ)

-

৫৫

৫৫

 

 

৮৯.৩৪

বিদ্যালয়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট নিয়মিত পরিচালনা কমিটি বিদ্যমান। পরিচালনা কমিটির মেয়াদ আগামী ২৬/৩/২০১২ খ্রিষ্টাব্দে উত্তীর্ণ হবে। বিধি মোতাবেক পরবর্তী নিয়মিত ম্যানেজিং  গঠনের প্রক্রিয়া অব্যহত রয়েছে। বর্তমানে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দের নাম অলোক কুমার দাস- সভাপতি, শংকর ঘোষ সদস্য, জগদীশ চন্দ্র ঘোষ সদস্য, বাবু সরকার সদস্য, ছন্দা রানী দাস সদস্য,

মোঃ ডাবলু সরকার সদস্য, অনল কুমার মন্ডল শিক্ষক প্রতিনিধি,  অঞ্জনা সাহা শিক্ষক প্রতিনিধি, কৃষ্ণা রানী মন্ডল (সংরক্ষিত) সদস্য,

রাজেন্দ্র নাথ সরকার-প্রধান শিক্ষক/সম্পাদক।

বিদ্যালয়ের সাময়িক পরীক্ষার পাশের হার ২০০৭-৮২%,  ২০০৮-৮৫%,  ২০০৯-৮৮%,  ২০১০-৯০%,  ২০১১-৯০%

বিদ্যালয়ে সুবীর ভদ্র স্মৃতি বৃত্তি যা ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যমত্ম। ১ম ও ২য় স্থান অধিকারী ছাত্র-ছাত্রী পেয়ে থাকে।

কাজলী বৃত্তি যা ৪র্থ শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ ১ম ও ২য় স্থান অধিকারী ছাত্র-ছাত্রী পেয়ে থাকে। এছাড়াও প্রাথমিক বৃত্তি ও জুনিয়র বৃত্তি ছাত্র-ছাত্রী পেয়ে থাকে।

পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বহু ছাত্র-ছাত্রী দেশ-বিদেশে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত আছেন।

২০০৯ সালে ‘১১১’ বর্ষ পূর্তি উদযাপন সম্পন্ন করা হয়। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে বি,এস,বি ফাউন্ডেশন কর্তৃক শ্রে্ষ্ঠ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

পুরাতন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বহু ছাত্র-ছাত্রী দেশ-বিদেশে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত আছেন।

২০০৯ সালে ‘১১১’ বর্ষ পূর্তি উদযাপন সম্পন্ন করা হয়। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে বি,এস,বি ফাউন্ডেশন কর্তৃক শ্রে্ষ্ঠ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

রাজশাহী বি. বি. হিন্দু একাডেমী, সাগরপাড়া, ডাক: ঘোড়ামারা, রাজশাহী-৬১০০ অফিস-৭৭২৭৭৯,

মোবাইল: ০১৭১৫-১৩৯৮৬৪  web : www.rbbha.org      e-mail: info.rbbha@gmail.com



Share with :

Facebook Twitter