মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ফরেস্ট্রি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট

বাংলাদেশ বনজ সম্পদের দক্ষ, উন্নততর ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বন প্রশাসন ও বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে নিবিড় প্রশিক্ষনের উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৮৫ সালের অক্টোবর মাসে “সামাজিক বন বিদ্যালয়, রাজশাহী” নামে বন অধিদপ্তরের একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে অত্র ইন্সটিটিউটের কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রথমে রাজশাহী শহরের লক্ষীপুর মোড়ে একটি ভাড়া করা বাড়ীতে স্বল্প পরিসরে প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে ৩.৫৩২৫ একর জমির উপর বিদ্যালয় কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ১৯৮৭ সালের জুলাই মাসে অত্র ইন্সটিটিউট তার নিজস্ব ভবন সপুরাতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বন সম্প্রসারন বিভাগ, রাজশাহীর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের হিসাবাদি সম্পাদিত হতো। ডিসেম্বর, ১৯৯০ থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিচালক নিযুক্ত হন। আধুনিক বন ব্যবস্থাপনার সকল বিষয়ে মান সম্পন্ন প্রশিক্ষন দানের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় কর্তৃক অত্র প্রতিষ্ঠানের নাম সামাজিক বন বিদ্যালয়, রাজশাহী পরিবর্তন করে “ফরেস্ট্রি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট, রাজশাহী” করা হয়েছে।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

বন অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বন প্রশাসন ও বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে উপযুক্ত প্রশিক্ষন প্রদান।

মাঠ পর্যায়ে আধুনিক বন ব্যবস্থাপনার গুনগত মান বৃদ্ধি করা।

দুই বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি কোর্সের মাধ্যমে বন অধিদপ্তরের ফরেস্টারদের বনজ সম্পদ উন্নয়ন, বন ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষন বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া।

 উন্নত চারা উৎপাদনের লক্ষ্যে স্থানীয় জনসাধারণ ও বিশেষ সম্প্রদায়কে গবেষণামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সম্পৃক্ত করা।

 সামাজিক বনায়ন ও বন সম্প্রসারণ বিষয়ে বন বিভাগের বনমালী, বন প্রহরী ও ফরেস্টার এবং বিভিন্ন এনজিও কর্মীকে স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণে সম্পৃক্তকরন।

 বন অধিদপ্তরের নিয়োজিত বন কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি মান বৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

 বননীতি-১৯৯৪ এ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ২০১৫ সালের মধ্যে দেশে শতকরা ২৫ ভাগ ভূমি বনায়নের আওতায় আনার লক্ষ্যে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোক্তাদের নার্সারী উন্নয়ন, নার্সারিতে মান সম্পন্ন চারা উৎপাদন, চারা রোপন কৌশল ও তার উপযুক্ত পরিচর্যা, রক্ষনাবেক্ষন, রোগ বালাই দমন ইত্যাদি বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দেশের মানুষকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা।

আপডেটের কার্যক্রম চলমান ............

....................................

ইন্সটিটিউট পরিচিতি:
প্রশাসনিক ভবন :
অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ভবনটি ৬৫৮২ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট একটি দোতলা ভবন। মূল ভবনের ডিজাইনে ৫ম তলা পর্যন্ত ছিল এবং ৫ম তলায় একটি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মানের পরিকল্পনা মূল নক্সায় ছিল। কিন্তু ভবনটি ২য় তলা পর্যন্ত নির্মিত হওয়ায় মূল নক্সা বাস্তবায়িত হয়নি।

প্রশিক্ষনার্থী ডরমিটরি:
ডরমিটরিতে প্রশিক্ষনার্থীদের ৪৮ জনের বসবাসের উপযোগী একটি তিন তলা আবাসিক ভবন আছে। দুই বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি কোর্সের প্রশিক্ষনার্থীদের ডরমিটরিতে অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। এ ভবনের ৫ তলা ফাউন্ডেশন আছে। প্রথম পর্যায়ে ভবনটি ৩য় তলা পর্যন্ত নির্মিত হলেও পরবর্তিতে মূল নক্সা বাস্তবায়নের আর কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
খেলার মাঠ:
অত্র প্রশাসনিক ভবনের পূর্ব পার্শ্বে অত্র ইন্সটিটিউটের সুদৃশ্য ও সুপরিসর একটি খেলার মাঠ রয়েছে। যেখানে প্রশিক্ষনাথীদের নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলা ধূলা অনুস্ঠিত হয়ে থাকে।
আবাসিক ভবন সমূহ:
অত্র প্রশাসনিক ভবনের পশ্চিম পার্শ্বে অফিসের স্টাফ ও কর্মচারীদের জন্য তিনটি পৃথক ভবন রয়েছে। ভবনগুলো নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষনের  অভাবে ব্যবহার অনুপোযোগী হতে বসেছে।
অন্যান্য ভবন
অত্র ক্যাম্পাসে সামাজিক বন বিভাগ, রাজশাহী’র নিয়ন্ত্রনাধীনে একটি দ্বিতল বন বিশ্রামাগার রয়েছে এবং ডরমিটরির পার্শ্বে গাড়ি রাখার জন্য আছে একটি স্থায়ী গ্যারেজ।
টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরী
১৯৯৫ সালে অত্র প্রশাসনিক ভবনের ২য় তলায় ক্লাসরুমের উত্তরে একটি টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠা করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল উন্নত পদ্ধতিতে উত্তরাঞ্চলে বিলুপ্ত ও বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ চারা উৎপাদন ও সরবরাহ। কিন্তু দক্ষ জনবল ও অর্থের  অভাবে ল্যাবরেটরি বর্তমান বন্ধ আছে।
লাইব্রেরী
অত্র ইন্সটিটিউটে প্রশিক্ষনার্থীদের সুবিধার্থে একটি লাইব্রেরী রয়েছে। লাইব্রেরীটি বন বিদ্যা, বন আইন, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন ও উন্নয়ন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান, জরীপ বিজ্ঞান, বন প্রকৌশল, বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষন, মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি বিষয়ের বই ও সাময়িকী সমৃদ্ধ। লাইব্রেরীতে যুগোপযোগী নতুন বই ক্রয় করা অত্যান্ত জরুরী।
মিশ্র প্রজাতির প্রদর্শনী বাগান
প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে একটি খেলার মাঠ আছে এবং এর দক্ষিনে একটি ছোট মিশ্র প্রজাতির প্রদর্শনী প্লট আছে। প্লটটি ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে উত্তোলন করা হয়। র্৬দ্ধর্৬ দূরত্বে মেহগনি, শিশু, গর্জন, ঢাকিজাম, তেলসুর, চম্পা ফুল, শাল, অর্জুন ইত্যাদি গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।

প্রশিক্ষন কোর্স
প্রধান বন সংরক্ষক কর্তৃক নির্বাচিত ফরেস্টারদের দুই বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি (ইন-সার্ভিস) কোর্স এখানে পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এই কোর্সটির পরীক্ষা পদ্ধতি ও কারিকুলাম নিয়ন্ত্রন করে থাকে। এটি সেমিস্টার ভিত্তিক কোর্স এবং ছয় মাসে একটি কোর্স শেষ হয়। সেমিস্টারের মাঝামাঝিতে মধ্যপর্ব পরীক্ষা হয় এবং সেমিস্টার শেষে পর্বসমাপনী ফাইনাল পরীক্ষা হয়।  ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি (ইন সার্ভিস) কোর্সটি চারটি পর্বে বিভক্ত। চারটি পর্বে সর্বমোট ৩৫ টি বিষয়ে ৫৬০০ নম্বরের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়। এছাড়া প্রথম পর্বে প্রশিক্ষনার্থীদের যোগদান করার সাথে সাথে পুলিশ একাডেমি, সারদাতে ১০ সপ্তাহ মেয়াদী রাইফেল ট্রেনিং, প্রাথমিক চিকিৎসা ও ম্যারাথন দৌড় পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হয়। এরপর নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়।
শরীর চর্চা ও খেলা ধুলা:
দুই বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি কোর্সের ফরেস্টারদের প্রতিদিন ভোরে শরীর চর্চা ও বিকালে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক। নিয়মিত ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর এর অভাবে একজন খন্ডকালীন ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর নিয়মিতভাবে শরীর চর্চা ও খেলাধুলা পরিচালনার জন্য নিয়োজিত আছেন। দুর্গম ও গহীন বনাঞ্চল ও পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনের জন্য এবং শারীরিক সক্ষমতা অর্জনই এর প্রধান উদ্দেশ্য। বিকালে অত্র প্রতিষ্ঠানের মাঠে গ্রীষ্মকালে প্রতিদিন ফুটবল খেলা অনুশীলন করানো হয়। এছাড়া শীতকালে ভলিবল, ব্যাডমিন্টন এবং সারা বছরই টেবিল টেনিস খেলার অনুশীলন হয়।
ম্যারাথন:
প্রশিক্ষনার্থীদের ১০ কিঃ মিঃ মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে হয়। সকলেই যাতে ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হতে পারে সেজন্য তাদের নিয়মিত ম্যারাথন অনুশীলন করানো হয়। প্রথম পর্বের ব্যবহারিক সমাপনী পরীক্ষার পর ম্যারাথন শেষ হয়।
রাইফেল ট্রেনিং, প্রাথমিক চিকিৎসা ও ম্যারাথন দৌড় :
প্রশিক্ষনার্থী ফরেস্টারদের প্রথম সেমিস্টারে ১০ সপ্তাহ ব্যাপী ( ২ মাস ১০ দিন ) পুলিশ একাডেমি সারদাতে রাইফেল ট্রেনিং, প্রাথমিক চিকিৎসা ও ম্যারাথন দৌড়ের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হয়। এই প্রশিক্ষনে ফরেস্টারগন বন আইন, দন্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি, মাইনর এ্যাক্টস (অস্ত্র আইন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, শুল্ক আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইন, অফিসিয়াল সিক্রেট এ্যাক্ট), সাক্ষ্য আইন ও প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা লাভ করেন। এছাড়া মাঠ বিষয়ক প্রশিক্ষন হিসাবে ফুট ড্রিল (মার্চিং,হুইলিং, টার্নিং এ্যান্ড সেলুট), স্কোয়াড ড্রিল, রাইফেল লেসন, রাইফেল ড্রিল, গুলি নিক্ষেপ ইত্যাদি বিষয়ে বাস্তব প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়।
শিক্ষা সফর
বন প্রশাসন ও বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষনার্থী ফরেস্টারদের শ্রেনী কক্ষের প্রশিক্ষনের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে হাতে কলমে বাস্তব প্রশিক্ষনের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন বনাঞ্চলে প্রতি বছর নিয়মিত শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা করা হয়।

ব্যবহারিক ক্লাস
তাত্ত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি বন বিদ্যা, বন আইন, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন ও উন্নয়ন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান, জরীপ বিজ্ঞান, বন প্রকৌশল, বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষন, সিলভিকালচার, বন পরিমিতি বিদ্যা, কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ে ব্যবহারিক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়।

ইন্সটিটিউটের সমস্যাবলী ঃ
ফরেস্ট্রি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট, রাজশাহী হতে ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি (ইন-সার্ভিস) ডিগ্রী প্রদান করা হলেও প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সমস্যা নিন্মে তুলে ধরা হল:

    প্রশাসনিক কাঠামো
ড়    অত্র ইন্সটিটিউট হতে ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি ডিগ্রির মত একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিগ্রি প্রদান করা হলেও এর প্রশাসনিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। একজন সহকারী বন সংরক্ষক, একজন ইন্সট্রাক্টর, দুইজন ফরেস্ট রেঞ্জার, একজন ফরেস্টার, একজন হিসাব রক্ষক, তিনজন অফিস সহকারী, একজন ডেসপাস রাইডার, দুইজন ড্রাইভার, চারজন অফিস সহায়ক, তিনজন মালী, একজন নিরাপত্তা প্রহরী, দুইজন পরিচ্ছন্নকর্মী, নিয়োজিত আছেন। প্রধান সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, অন্যান্য সহায়ক কর্মচারী না থাকায় ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষন কার্যক্রম সহ সরকারী দাপ্তরিক কাজ কর্মে নিরন্তর অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে।
ড়    প্রশিক্ষকের অভাবে বহিরাগত খন্ডকালীন শিক্ষক দ্বারা স্বল্প সম্মানী ভাতার বিনিময়ে প্রশিক্ষন কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। খন্ডকালীন শিক্ষকদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। মান সম্মত ডিগ্রি ও প্রশিক্ষন প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষক/ সহকারী বন সংরক্ষক এর পদ প্রশাসনিক কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
ড়    ডিপ্লোমা ইন ফরেস্টির সিলেবাসটি আধুনিক যুগোপোযোগী করে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন।
    কম্পিউটার ল্যাব
ড়    অত্র ইন্সটিটিউটে সার্বক্ষনিক ভাবে প্রায় ৬০ প্রশিক্ষনার্থী ফরেষ্টার প্রশিক্ষন নিয়ে যাচ্ছে। কিন্ত আধুনিক যুগের অন্যতম শিক্ষার মাধ্যম কম্পিউটার ল্যাবটিতে মাত্র ৫টি কম্পিটউটার রয়েছে।পর্যাপ্ত সংখ্যক কম্পিউটারের অভাবে প্রশিক্ষনার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সেজন্য  কম্পিউটার সংখ্যা বৃদ্ধি একান্ত প্রয়োজন।
    অন্যান্য ল্যাব:     
ব্যবহারিক জ্ঞান ব্যতিত পরিপূর্ণ বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব নয়। ফরেস্ট্রি বিষয়টি আতি মাত্রায় টেকনিক্যাল একটি বিষয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য কোন ল্যাবরেটরি গেড়ে তোলা হয়নি। জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন ও উন্নয়ন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান, জরীপ বিজ্ঞান, বন প্রকৌশল, বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষন, সিলভিকালচার, বন পরিমিতি বিদ্যা, বন ইনভেন্টরী, কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ে ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য পৃথক পৃথক ল্যাব গড়ে তোলা প্রয়োজন।
    যানবাহন:
অত্র ইন্সটিটিউটে দুইটি জীপ গাড়ী এবং একটি পিক আপ গাড়ী আছে। জীপ গাড়ী নং- ঢাকা-ভ-১৯৭, খুলনা মেট্রো-ঘ-০২০১৪৭ ও পিক আপ নং- রাজ-ট-৫৯৪৫। জীপ গাড়ী দুইটি অত্যন্ত পুরাতন হওয়ায় একটি নতুন জীপ গাড়ী সরবরাহ এবং এইগুলো মেরামত করা প্রয়োজন। প্রশিক্ষনার্থীদের শিক্ষা সফরের জন্য একটি বাস সরবরাহ করা অত্যন্ত জরুরী।
    বাজেট স্বল্পতা:
অত্র ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন খাতে  প্রতি বছর যে বাজেট বরাদ্দ প্রদান করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। মানসম্মত প্রশিক্ষনের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরী।
    আবাসিক শিক্ষক
ড়    অত্র ইন্সটিটিউটের প্রশিক্ষন যথাযথ ভাবে সম্পাদনের জন্য নুন্যতম দুইজন সার্বক্ষনিক আবাসিক শিক্ষকের প্রয়োজন। যেহেতু প্রশিক্ষনটি একটি দীর্ঘমেয়াদী আবাসিক প্রশিক্ষন সেহেতেু প্রশিক্ষনার্থীদের সার্বিক তদারকির জন্য এর গুরুত্ব অপরিসিম।

ছবি নাম মোবাইল
ইমরান আহমেদ 01761494600

ছবি নাম মোবাইল
ইমরান আহমেদ 01761494600

ছবি নাম মোবাইল

0

পরিচালক
ফরেস্ট্রি সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইন্সটিটিউট

শালবাগান, সপুরা,রাজশাহী

ফোনঃ ০৭২১-৭৬১৬২৭