মেনু নির্বাচন করুন

সিল্ক হেভেন রাজশাহী

ডাউনলোড ব্র্যান্ড বুক

ছবিতে জেলা ব্র্যান্ডিং


বিস্তারিত


ব্র্যান্ডিংয়ের লোগো এবং ট্যাগ লাইনের পরিচিতি ও বর্ণনা
রাজশাহী জেলার ব্র্যান্ডিং লোগোটিতে বৃত্তের কেন্দ্রের দুই দিকে উপস্থাপিত দুইটি উজ্জ্বল সোনালী বর্ণের অভিজাত উড়ন্ত রেশম বস্ত্রের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে জেলার উনড়বয়ন রেশম বস্ত্র তথ রেশম শিল্প কেন্দ্রিক। বর্তমানে দেশের বিভিনড়ব জেলায় রেশম চাষ হলেও “সিল্কনগরী” রাজশাহী রেশম বস্ত্র উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সুপরিচিত। রাজশাহী জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উনড়বয়নে, মানব সম্পদ উনড়বয়নে ও শিল্পের সম্প্রসারণে এবং নারীর ক্ষমতায়নে রেশম শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ১০-১২ হাজার নারী রেশম শিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রেশম রপ্তানির পরিমাণ ১৩৩.৮৮৪ মার্কিন ডলার। চলতি সময়ে ১৭৫ হেক্টর জমি মালবেরি চাষের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, এছাড়া রেশম উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১০টি নার্সারী এবং ৭টি মিনিফার্ম। বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় রেশম বস্ত্রের প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রয়েছে ১৩টি শো-রুম। বাংলাদেশ সরকার জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৭ অর্থ বছরে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উনড়বয়নের জন্য ৩০৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে দেশব্যাপী রাজশাহী সিল্কের পরিচয়ে নতুন মাত্রা যোগ হবে। “সিল্ক হেভেন রাজশাহী” ট্যাগ লাইন রাজশাহী জেলাকে রেশম শিল্প বিকাশের অপ্রতিদ্বন্দ্বী স্থান হিসেবে ফুটিয়ে তোলার সফল চিত্রায়ণ।

 

এই সময়ের রাজশাহী সিল্ক
রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ১০-১২ হাজার নারী রেশম শিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট রেশম রপ্তানির পরিমাণ ১৩৩.৮৮৪ মার্কিন ডলার। চলতি সময়ে ১৭৫ হেক্টর জমি মালবেরি চাষের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, এছাড়া রেশম উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১০টি নার্সারী এবং ৭টি মিনিফার্ম। বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় রেশম বস্ত্রের প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য রয়েছে ১৩টি শো-রুম। বাংলাদেশ সরকার জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৭ অর্থ বছরে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উনড়বয়নের জন্য ৩০৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

 

কর্মপরিকল্পনা
ইতিমধ্যে রাজশাহী জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বিভিনড়ব কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। জেলার সর্বস্তরের মানুষের সাথে জেলা ব্র্যান্ডিং বিষয়ক মতবিনিময়করণ ও সার্বিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজশাহী সিল্কের শক্তি, দুর্বলতা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী সিল্কের মধ্য দিয়ে রাজশাহী জেলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে বিভিন্ন মেয়াদে আরও উদ্যোগ নেয়ার ব্যাপারে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। রাজশাহী সিল্কের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবা হচ্ছে। এর ফলে আরও সহজে এই সিল্ক পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
 

 



জেলা ব্র্যান্ডিং ভিডিও গ্যালারী




Share with :

Facebook Twitter